আপনি কোন বিষয়ে আপোষ করবেন?

এক

ইসলামের দেড় হাজার বছরের ইতিহাসে আজ অবধি শিয়ারা ইসলামের স্বার্থে একচুল পরিমাণও কাজ করে নি, বরং ওদের পুরো শক্তি ও মেধাই ব্যায় করেছে ইসলামের বিকৃতি ও তার মৌলিকত্বকে বিনাশ করার জন্য। এর সূচনা হয়েছিল হজরত উসমান রাদি.—কে শহিদ করার মাধ্যমে। এটাই ছিল ইসলামের খোলসে ইয়াহুদিদের প্রথম ষড়যন্ত্র। হুসাইন রাদি. এর শাহাদাতও এদের কারণেই ঘটেছিল। উমাইয়া খিলাফত ধ্বংসের পিছনে রয়েছে এদের শক্ত হাত। আব্বাসি খিলাফতকালে এদের ষড়যন্ত্র ও ইসলামের উপর আঘাত সুবিদিত। খোদ আব্বাসী খিলাফতের পতন হয়েছিল ইসনা আশারিয়া শিয়া ইবনে আলকামির প্রত্যক্ষ মদদে। এই আলকামি না থাকলে তাতারিরা কখনো খেলাফতকেন্দ্র বাগদাদে আক্রমণ করতে সাহস পেত না। ক্রুসেড যুদ্ধ চলাকালে এই শিয়ারা মুসলমানদের পক্ষ না নিয়ে খ্রিস্টানদের পক্ষ নিয়েছে। খ্রিস্টানদের সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছে। বিশেষত মুসলমানদের ঘারে চেপে বসা বনু বুওয়াইহ তখন জিহাদের জন্য ফাণ্ড কালেক্ট করে আত্মসাৎ করেছে। ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকেও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ তো গ্রহণ করেই নি, উল্টো মুসলমানদের ঘারে চেপে বসেছে প্রবলভাবে। বিশেষত এদের ত্রিশক্তি; ইসমাঈলি ফিরকার ফাতেমি ও কারামিতি এবং ইসনা আশারিয়ার বনু বুওয়াইহ, সে সঙ্গে ক্রুসেডরদের আক্রমণ মুসলমানদের একসঙ্গে ভোগ করতে হয়েছিল।

আচ্ছা উপমহাদেশের কথা বলি, মুঘলদের আমলে সবচেয়ে বেশি মুসলমানদের জ্বালিয়েছে কারা জানেন? এই শিয়ারা। সাফাবি সম্রাজ্যের ইতিহাস জানেন? এরা ছিল ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য আস্ত কীট। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চাপে নিস্পেষিত দুর্বল মুঘলদের দিল্লি এসে আক্রমণ করে লুটপাট চালিয়েছিল এরা। মীর জাফর শিয়া ছিল, মীর সাদিক শিয়া ছিল; যাদের জন্য আমরা ইংরেজকতৃক লাঞ্ছনার জিন্দেগী বরণসহ স্থায়ীভাবে ভারতবর্ষ হারিয়েছি।

অতীতে না যেয়ে বর্তমানে আসি। ইরাকে আমরিকান সৈন্যদের সহযোগী কারা ছিল জানেন? সিরিয়ায় লক্ষ লক্ষ সুন্নি কাদের হাতে হত্যা হলো, বাস্তুহারা হলো? তারা কি শিয়া নয়? মূলত শিয়া কাফেরদেরই বন্ধু; কেবল ক্ষমতার ভাগাভাগিতেই বেধেছে সংঘাত।

দুই

আপনি কি জানেন, আপনার রব, নবি, কুরআন, হাদিস ও সাহাবি; সর্বক্ষেত্রেই শিয়াদের সঙ্গে রয়েছে মতবিরোধ? আপনি কি জানেন শিয়া খতমে নবুওয়াতে অবিশ্বাসী? রাসুলের শরিয়তে অবিশ্বাসী? আপনার কুরআনে অবিশ্বাসী? আপনার হাদিসে অবিশ্বাসী?

শিয়াদের বারোতম ইমাম—ইমাম মাহদি ২৫৫ হিজরি জন্মগ্রহণ করে ২৬০ হিজরি গর্তে লুকিয়েছে। সঙ্গে আসল কুরআনও নিয়ে গেছে। তাদের বিশ্বাস বর্তমান কুরআন বিকৃত ও পরিবর্তিত। যা লেখা হয়েছে মদখোর খলিফা তথা আবু বকর, উমর ও উসমান (রাদি)-দের আত্মতুষ্টির জন্য। কিয়ামতের আগে ওদের পালাতক এই ইমাম মাহদি আসল কুরআন নিয়ে গর্ত থেকে বের হবে এবং সর্বপ্রথম আয়েশা রাদি. কে কবর থেকে উঠিয়ে বেত্রাঘাত করবে আলি রাদি. এর সঙ্গে যুদ্ধের অপরাধে। এরপর আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমাদের কবর থেকে উঠিয়ে সমস্ত দুনিয়ার মানুষের সামনে শূলে চড়িয়ে আগুনে পুড়িয়ে ছাইগুলো বাতাসে উড়িয়ে দিবে। এই ইমাম মাহদি কিন্তু গর্তের থেকে বের হয়ে পুরো দুনিয়ায় শাসন কায়েম করে রাসুলের শরিয়ত কায়েম করবেন না, বরং দাউদ আ. এর শরিয়ত কায়েম করবে। আচ্ছা নতুন শরিয়তের প্রবর্তন কি খতমে নবুয়াতের বিশ্বাস? আপনি কি জানেন, ইসরাইলের পতাকার মধ্যে যে ছয়কোণ বিশিষ্ট তারা রয়েছে, সেটা ডেভিড (দাউদ) স্টার?

আপনারা যেমন হাদিসের কিতাব হিসেবে উসুলে সিত্তাকে মেনে থাকেন, শিয়ারা তাদের হাদিসের কতাব হিসাবে মানে উসুলে আরবায়া। তারা আমাদের কোনো হাদিস কিংবা শরিয়তই মানে না। কেননা আমাদের হাদিস রাসুলের কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের থেকে সাহাবায়ে কিরামের মধ্যস্থতায় আমাদের পর্যন্ত পৌঁছেছে। শিয়াদের বিশ্বাসমতে সাহাবারা কাফের হওয়ায় সেই হাদিস পরিত্যাজ্য। তাই তারা তাদের ইমামদের থেকে বর্ণিত হাদিস মেনে থাকে। যা পুরোটাই ধোঁকা। হাদিসের মূল সনদ কয়েকজনের উপর নির্ভরশীল। তাদের ইমামরা বাস্তবেই এর থেকে মুক্ত। তাদের শরিয়তও ইমাম নির্ভর। বলা যায় জাফর সাদিক নির্ভর। প্রায় ৮০% হাদিস তার থেকে বর্ণনা করে থাকে। এটাকেই তারা বলে ফিকহে জাফরি। মূলত এটা ফিকহে জাফরি নয় বরং শরিয়তে জাফরি। তবে তারা কি রাসুলের হাদিস মানে না? মানে, ততটুকু যতটুকু আহলে বাইতের ফজিলত সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে। এক্ষেত্রেও তারা প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। তানযিহুশ শরিয়ার ১/৪০৭ পৃ. রয়েছে, তারা কেবল আলি রাদি. এর ফজিলত সাব্যস্ত করতে গিয়ে ৩ লক্ষ হাদিস জাল করেছে। অন্যান্য বিষয়ের হিসাব তো করাই হয় নি। অবশ্য রাসুলের হাদিসও সেটা মানে যেটা রাসুলের শত বছর পর জন্মগ্রহণ করা ইমামরা বলবে যে আমাদের নানা এটা বলেছে।

তিন

ইসলামে যত বিদয়াত ও শিরক ঢুকেছে, তার পুরোটাই শিয়াদের হাত ধরে সুফিবাদের আড়ালে আমদানি হয়েছে। ওয়াহদাতুল উজুদ বলেন, কবর ও মাজার পূজা, বিশেষত কবর কেন্দ্রিক অন্যান্য কাজ কিংবা মিলাদ কিয়াম—সবের গুরু এই শিয়ারা। আপনি কি জানেন, মাইজভান্ডার, সুরেশ্বরসহ মাজারপন্থী দরবারগুলোর সিংহভাগ শিয়া? যারা আকিদা গোপন করে আমাদের অশিক্ষিত সহজসরল মুসলমান ভাইদের ঈমান হরণ করছে? আপনি কি জানেন, এসব দরবার থেকে সাহাবা বিদ্বেষ ছড়ানো হয়? কুরআন বিকৃত প্রচার করা হয়? এককথায় বলতে গেলে শিয়াদের পূর্ণ আকিদাই প্রচার হয়? আপনি সংবাদ নেন না বিধায় জানতে পারেন না।

আপনি কি জানেন, লালন ও বাউলদের কুফুরি আকিদাগুলো শিয়ারাই ইসলামের মোড়কে আমাদের সামনে উপস্থাপন করে? আর ওরাও শিয়া আকিদারই প্রতিনিধিত্ব করে? মোটকথা শিয়ারা ইসলাম বিকৃতকারী কিংবা ইসলামের নামে কুফুরি আমদানিকারী সবাইকেই আশ্রয় দেয়। বিশেষত সুফিবাদের আড়ালে শরিয়ত উপেক্ষিত হওয়ার কারিগও শিয়ারাই। যারা বাতেনি শরিয়তের নাম নিয়ে জাহেরকে পরিত্যাগ করেছিল।

চার

আজ কতক ভাইয়ের পোস্টে দেখলাম, তারা রুহুল্লাহ খোমিনির কিছু (!) কুফুরি স্বীকার করলেও আলি খোমিনিকে উচ্চ পর্যায়ের মুসলিম, আপোষহীন রাহবারসহ অগণিত উপাধিতে ভূষিত করছেন। এই ভুলের মূল কারণ বেলায়েতে ফকিহ সম্পর্কে অজ্ঞতা। কিছুক্ষণ আগেই বলেছি, শিয়াদের বিশ্বাস দ্বাদশ ইমাম—ইমাম মাহদির গায়বতের উপর। তার এই অদৃশ্যকালীন সময় একজন মুজতাহিদ ফকিহ তার প্রতিনিধি ও ভারপ্রাপ্ত হবেন। তিনিই হবেন ধর্ম ও রাষ্ট্রের অভিভাবক। প্রত্যেকের জন্যই তার আনুগত্য করা ফরজ। এটাই হলো বেলায়েতে ফকিহ। মানে আলি খোমিনি ওদের নিকৃষ্ট বিশ্বাসময় পালাতক ইমাম মাহদির প্রতিনিধি।

মূলত তাদের যে ইমামতের আকিদা; শাহ ওয়ালউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভি রহ. এই এক কারণেই তাদর কাফর হওয়াকে যথেষ্ট বলেছেন। খোদ রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাম স্বপ্নে তাকে এ ইঙ্গিত দিয়েছেন। আচ্ছা আলি খোমিনি কি এই বারো ইমামে বিশ্বাসী না? তার তো ইমাম মাহদির উপর অনেকগুলো লেকচার আছে, যা কিতাবাকারেও সংকলিত হয়েছে। সেটা দেখলেও তার আকিদা নিয়ে আমার কথা বলার প্রয়োজন হবে না।

যারা রুহুল্লাহ খোমিনির কুফুরির কথা স্বীকার করেন, তারা এটাও জেনে নিয়েন, এই আলি খোমিনি তার প্রশংসামূলক জীবনী লিখেছেন। এটা তাদের তাকিয়া। যারা আলি খোমিনিকে ২০১০ সালে আয়শা রাদি.-কে নিয়ে কৃত প্রশ্নের উত্তর উপস্থাপন করে তাকে রাফেজি থেকে বের করতে চাচ্ছেন; তাদের তাকিয়া সম্পর্কে বিলকুল ধারণা নেই। এই ধর্মীয় গুরুরা টিভি টকশোতে আপনার অনুকুলে কথা বললেও রাষ্ট্রীয়ভাবেই কিন্তু সাহাবাদের ব্যাপারে গালিমূলক বই ছাপে, কুরআন বিকৃত প্রমাণের বই ছাপে। এটা কি মুনাফিকি না? একটা হাদিস বলি: ওসায়িলুশ শিয়ার ২৭/১২৩ পৃ. রয়েছে যে, “জাফর সাদিক বলেন: যদি আমাদের কোনো কথা আমাদের শত্রু তথা আহলুস সুন্নাহর সঙ্গে মিলে যায় তবে বুঝে নিবে আমি তাকিয়া করছি। আর তাদের কথার সঙ্গে না মিললে বুঝবে তাকিয়া নয়।” ভাই আপনাকে তারা এই হাদিসের উপর ভিত্তি করেই বোকা বানায়।

আচ্ছা আপনারা কি ইরানের সুন্নিদের হালাত জানেন? মিডিয়ায় আজ পর্যন্ত তাদের কোনো আলাপ দেখেছেন? তাদের জীবনযাত্রা কতটা অনুন্নত; সেটা কি জানেন? আপনার কি কখনো এটা জানার সুযোগ হয়েছে যে, ইরানের কোনো সুন্নির সরকারী চাকরি করার অনুমতি নেই? খোদ তেহরানের মতো একটি রাজধানী শহরে একটা সুন্নি মসজিদ নেই? আপনি আপনার ভাইদের এই সংবাদ কোনোদিনও জানবেন না। কেননা ওরা ওদের মিডিয়াগুলো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

আচ্ছা, কাসেম সোলায়মানি যখন মধ্যপ্রাচ্যের কসাই হয়ে উঠলো, তখন কার অনুমোদন নিয়ে সে লক্ষ লক্ষ আহলুস সুন্নাহের লোকদের রক্ত ঝড়িয়েছিল? সে কি আলি খোমিনি না?

আপনি কি জানেন শিয়ারা আমাদের কাফের মনে করে? তাদের মুজতাহিদ আলেম ও ফুকাহাদের ঐক্যমতে আমরা—কাফির, মুশরিক এবং শুকুরের মতোই নাপাক বিশ্বাস করে? এমনকি আমাদের হত্যা করা ওয়াজিব—আকিদা রাখে? ওসায়িলুস শিয়া ২৮/২১৭ ও বিহারুল আনওয়ার ২৭/২৩১ –রাবি দাউদ বিন ফারকাদ থেকে একটি বর্ণনা রয়েছে। সে বলে আমি জাফর সাদিককে জিজ্ঞেস করলাম, আহলুস সুন্নাতের অনুসারীদের হত্যা করার ব্যপারে আপনার মতামত কি? তিনি বললেন: তাদের হত্যা করা জায়েজ। বরং তোমরা তাদের দেয়ালের নিচে চাপা দিয়ে কিংবা পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করবে যেন কোনো সাক্ষি না থাকে।

এই বর্ণনার হাশিয়ায় রুহুল্লাহ খমিনি লেখে যে, যদি সম্ভব হয়, তবে তাদের সম্পদ লুট করে আমাদের খুমুস বা এক পঞ্চমাংশ দান করবে।

সাইয়্যেদ নিয়ামাতুল্লাহ জাযায়িরি ‘আল আনওয়ারুন নুমানিয়্যাহ—২/২৬৯’—গ্রন্থে লেখে যে, আলি ইবনু ইয়াকতিন নামক এক বুদ্ধিমান (!) মন্ত্রী একবার আহলুস সুন্নাতের অনুসারী প্রায় পাঁচশ লোকের একটি দলকে জেলে বন্দি করে। অতঃপর তার দাসদের নির্দেশ দিয়ে সে জেলের সাদ ভেঙে সকলকে মেরে ফেলে।

এখন প্রশ্ন হতে পারে, তাহলে তারা যে মুসলমানদের পক্ষে কথা বলে? আরে ভাই! এটা পুরোটাই ধোঁকা। উদ্দেশ্য তাদের ক্ষমতার লড়াইয়ে কেবল আপনার সমর্থন নেওয়া এবং মনস্তাত্বিকভাবে আপনাকে শাসন করা। আপনি জানেন হাফেজ্জী হুজুর রহ. যখন রুহুল্লাহ খোমিনিকে বলেছিলেন, আপনাদের সঙ্গে কিভাবে ঐক্য সম্ভব, আপনারা তো সাহাবাদের মানেন না। তখন সে বলেছিল, না, আমরাও সাহাবাদের শ্রদ্ধা করি। অথচ এটা ছিল সুস্পষ্ট মিথ্যাচার। যা তার লেখিত কাশফে আসরার পড়লেই আপনি প্রমাণ পাবেন।

আলি খোমিনি কি তাদের এসব আকিদা থেকে তওবা করেছে? নাকি এই আকিদাধারীদেরই নেতৃত্ব দিয়েছে? অনেক কথাই লেখতে মন চায়। অতিরিক্ত লম্বা হওয়ায় ক্ষান্ত করছি।

সর্বশেষ একটা উদাহরণ দিই। মনে করেন আপনি একটা জঙ্গলে গেলেন। সেখানে আপনাকে খাওয়ার জন্য একটা হায়েনা আর একটা বাঘ এলো। এবং আপনাকে হজম করার জন্যেই বাঘ আর হায়েনার মধ্যে লড়াই হলো। এখন আপনি কার পক্ষে? হায়েনার না বাঘের? এই হায়েনা হলো ইরান; যারা মধ্যপ্রাচ্যে আহলুস সুন্নাহকে মারছে। বরং চৌদ্দশত বছর ধরে মেরে আসছে। আর বাঘ হলো আমরিকা ও ইজরাইল।

আরব সম্পর্কে আর কি মন্তব্য করবো! এরাতো খাটি উবাই ইবনে সালুলের উত্তরসূরি। চৌদ্দশত বছর পর নবিযুগের মুনাফেকদের চিন্তাচেতনা বাস্তবায়ন করছে। আমি এদের বলি মুসলমানদের এপস্টেই ফিরকা। আমার মতে এসব কাফির ও মুনাফিকরা নিজেরা নিজেরা যুদ্ধ করে মরুক। আমার তাতে কিছু যায় আসে না। আমি কারো পক্ষে না। কারণ সবাই মুসলমানদের জন্য ক্ষতিকর।

কিন্তু আপনার কাছে জিজ্ঞাসা, আপনি কি সাহাবা বিদ্বেষী, কুরআন অস্বীকারকারী, ইসলামকে বিনাশ ও বিকৃতকারী শিয়া হায়েনাদের সাপোর্ট করবেন? লোক দেখানো পক্ষে কিছু কথা বলার জন্য তাদের আপন ভাববেন? আচ্ছা আপনি তাদের কোন আকিদার সঙ্গে আপোষ করবেন? সাহাবা বিদ্বেষ? কুরআন অস্বীকার? ইসলাম বিকৃতি? সুন্নি হত্যা? উত্তর আপনার কাছে।

এ বিষয়ে প্রত্যকে একমত যে, ফকিহ হয়ে হাদিস বিষয় হুকুম লাগালে মানা যাবে না। আবার মুহাদ্দিসের ফতোয়া দেওয়ার অধিকারও সাব্যস্ত করি না, সেখানে ভিন্ন শাস্ত্রে অভিজ্ঞ কারো শিয়া বিষয়ক মন্তব্য কেনো মেনে নিবো? কয়েকটা ইসলামিক বই পড়ে ফতোয়া দেওয়া যেমন উম্মাহকে গোমরাহ করা, তেমনই শ্রুতির উপর কিংবা অনুমানের উপর শিয়াদের আকিদা বিষয়ে নমনীয়তাও উম্মাহকে গোমরাহ করা। আপনি অন্য বিষয় অভিজ্ঞ হতে পারেন, সে বিষয়ই কথা বলেন; কিন্তু শিয়া বিষয় প্রাথমিক স্তরে থেকে কেনো সিদ্ধান্ত দিয়ে উম্মাহকে বিভ্রন্ত করবেন না।



Leave a comment