মুতা বিবাহ কী?
মুতা (متعة) হলো এমন এক ধরনের চুক্তিভিত্তিক যৌনমিলন, যেখানে একজন পুরুষ ও একজন নারীর মধ্যে নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে সম্পর্ক স্থাপিত হয়। যার দৃষ্টান্ত আধুনিক যুগের পতিতাবৃত্তের থেকেও গ্রহণ করা যায়। জাহেলিয়াত যুগে এ ধরনের প্রথা প্রচলিত ছিল। ইসলাম আগমনের পর জাহেলিয়াতের বিভিন্ন প্রথার মতো এটিও ধীরে ধীরে বিলুপ্ত করা হয়। সহিহ হাদিসের আলোকে জানা যায়, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের দিন মুতা বিবাহকে স্থায়ীভাবে হারাম ঘোষণা করেন। খোদ শিয়াদের কিতাবেও উক্ত হাদিস রয়েছে।
শিয়াদের দৃষ্টিতে মুতা
ইমামিয়া শিয়াদের বড় একটি অংশ মুতা বিবাহকে শুধু বৈধই মনে করে না; বরং অত্যন্ত ফযিলতপূর্ণ আমল হিসেবেও গণ্য করে। শুধু এ কর্মকে গ্রহণযোগ্য ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য তারা অসংখ্য হাদিসও বানিয়েছে। যা সাধারণ মানুষও বুঝবে যে, এগুলো কখনো রাসুল কিংবা আল্লাহর কোনো প্রিয় বান্দার কথা হতে পারে না। নিঃসন্দেহে ইসলাম বিরোধী কোনো ব্যক্তির কর্ম, যে কৌশলে মুসলমানদের ঈমান হরণের নিমিত্তে এগুলো বানিয়েছে। বিষয়টি অনুধাবনের জন্য আমি কয়েকটি হাদিস উল্লেখ করছি।
ওসায়িলুশ শিয়া (২১/১৩) ও মিনহাজুস সাদিকিন (২/৪৭৬)-এ বর্ণিত হয়েছে, জাফর সাদিককে জিজ্ঞেস করা হলো: মুতার দ্বারা কি সাওয়াব হয়? তিনি বললেন: মুতার নিয়তে বলা প্রতিটি কথার বিনিময়ে নেকি লেখা হয়। মুতার জন্য মহিলার নিকটবর্তী হওয়ামাত্র আল্লাহ তায়ালা তার গুনাহ মাফ করে দেন। আর মুতা (যেনা) থেকে ফারেগ হয়ে গোসল করলে যত পশমের উপর পানি প্রবাহিত হবে, প্রতিটার বিনিময়ে সাওয়াব লেখা হয়।
মিনহাজুস সাদিকিন (২/৪৭৬, ৪৮০)-গ্রন্থে আরো রয়েছে: একবার মুতা করলে জাহান্নামের এক-তৃতীয়াংশ থেকে মুক্তি পাবে, দুইবার দুই-তৃতীয়াংশ এবং তিনবারে পূর্ণ জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করবে।
লায়ালিয়াল আখবার (৩/২৪৬)-গ্রন্থে রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করা হয়: একবার মুতা করলে হুসাইনের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হবে, দুইবার মুতা করলে হাসানের মর্যাদা প্রাপ্ত হবে, তৃতীয়বারে আলির এবং চতুর্থবারে আমি মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহির মর্যাদা পাবে।
এক বর্ণনায় এসেছে, রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: যে ব্যক্তি কোনো মুমিন নারীর সঙ্গে মুতা করল সে যেন সত্তরবার খানায়ে কাবা যিয়ারত করল।
ওসায়িলুশ শিয়া (২১/১৬), মুস্তাদরাকু সাফিনাতুল বিহার (৯/৩০৭) এবং লায়ালিয়াল আখবার গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, মুতা শেষে গোসলকারী ব্যক্তির প্রতিটি পানির ফোঁটা থেকে সত্তরজন ফেরেশতা সৃষ্টি হয়, যারা কিয়ামত পর্যন্ত মুতাকারী ব্যক্তির জন্য ইস্তিগফার করে এবং এ বিধানকে যারা এড়িয়ে চলে, তাদের লানত করে।
বিহারুল আনওয়ার (১০০/৩২০), মিনহাজুস সাদিকিন (২/৪৭৬) এবং মান লা ইয়াহযারুহুল ফকিহ গ্রন্থে জাফর সাদিক থেকে বর্ণনা করা হয়: যে ব্যক্তি আমাদের রজআত তথা পুনর্জনমে বিশ্বাস করবে না এবং মুতাকে হালাল মনে করবে না, সে আমাদের দলভুক্ত না।
জাফর সাদিক থেকে আরেক বর্ণনায় বলা হয়: মুতা আমার ও আমার পূর্বপুরুষদের দ্বীন। যে মুতা করল, সে আমাদের দ্বীনের ওপর আমল করল; আর যে মুতা অস্বীকার করল, সে আমাদের দ্বীন অস্বীকার করে অন্য দ্বীন গ্রহণ করল।
তারা কেনো মুতা নিষিদ্ধ বলে বিশ্বাস করে না?
মিনহাজুস সাদিকিন গ্রন্থে রয়েছে যে, মুতআ হালাল হওয়ার বিষয়ে আহলে বাইতের ইজমা রয়েছে। কেবল উমর রাদি.-ই এ বিধানকে হারাম ও নিষিদ্ধ সাব্যস্ত করেন। তাই উমর রাদি.-কে আক্রমণ করে আলি রাদি.-এর পক্ষ থেকে এ বর্ণনাও নকল করে: যদি উমর মুতা নিষিদ্ধ না করত, তবে দুর্ভাগা ছাড়া কেউ যেনা করত না।
রুহুল্লাহ খোমেনি কাশফে আসরার (১১৭ পৃ.)-গ্রন্থে “مخالفت عمر با قرآن خدا” (উমরের কুরআন বিরোধিতা) শিরোনামে একটি অধ্যায় এনেছে। যেখানে সে উমর রাদি. এর কুরআন বিরোধিতার চারটি নমুনা উল্লেখ করে ১১৯ পৃ. তাকে কাফের ও যিন্দিক বলেছে। এবং কুরআন বিরোধিতার প্রথম বিষয় হিসেবে মুতা নিষেধ করার বিষয়টি এনেছে। অথচ রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার যুদ্ধের দিন যে মুতা চিরদিনের জন্য হারাম করেছিলেন, তার বর্ণনাকারী খোদ আলি রাদি.। যা তাদের মৌলিক চারটি হাদিসের কিতাবের অন্যতম তাহজিবুল আহকাম গ্রন্থে (২/১৮৬) উল্লেখ হয়েছে। মজার বিষয় হলো: উক্ত হাদিসে মুতা ও গৃহপালিত গাধার গোশত হারাম করা হলেও তারা কেবল মুতাকে খায়বারের দিনের সঙ্গে খাস করে, আর গাধার গোশতকে চিরদিনের জন্য হারাম মনে করে। এরচেয়ে বড় প্রবৃত্তিপূজারি আর হতে পারে?
মুতা জায়েয প্রমাণে অদ্ভূত কাহিনীর অবতারণা
শিয়াদের প্রখ্যাত প্রভাবশালী আলেম নিয়ামাতুল্লাহ আল জাযায়িরি আল আনওয়ারুন নুমানিয়্যাহ (২/২৭৯)-গ্রন্থে লেখেন: একরাতে উমর আমিরুল মুমিনিন আলি আ.-কে দাওয়াত দিল। রাতে আমিরুল মুমিনিন উমরের ঘরে ছিলেন। সকালে উঠে উমর বলল: আলি তুমি না বলেছিলে কেউ রাতে স্ত্রী ছাড়া একাকি থাকতে পারে না, আজতো তুমি একাই ছিলে! জবাবে আলি আ. বলেন: কে বলে আমি একাকি ছিলাম? তোমার অমুক বোনের সঙ্গেতো মুতআ করেছি। সারারাত তার সঙ্গেই ছিলাম। উমর রাদি. তখন ক্রোধান্বিত হয়ে মুতা হারাম করেন।
অথচ এই কিতাবের টীকাকার আলি কাজি তবতবায়ি লেখেন: এই ঘটনা কোনো কিতাবে আছে কীনা আমার জানা নেই। যদি এ ঘটনার অস্তিত্ব কোনো কিতাবে না থাকে, তবে নিঃসন্দেহে জাযায়িরি তা উদ্ভাবন করেছে!?
যাইহোক, এরপর টীকাকার বিহারুল আনোয়ার গ্রন্থের সূত্রে আরেকটি জঘন্য ঘটনা উল্লেখ করেন। মোল্লা বাকের মাজলিসি লেখেন: একবার উমর রাদি. তার অবিবাহিত বোনের ঘরে ঢুকে দেখেন যে, সে একটা বাচ্চাকে দুধ পান করাচ্ছে। উমর রাদি. জিজ্ঞেস করলেন: বাচ্চা কার? সে বললো: মুতার মাধ্যমে পেয়েছি। এ ঘটনার পর উমর রাদি. মুতা হারাম সাব্যস্ত করেন। অথচ উমর রাদি. এর বাবা রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়াতের পূর্বে ইন্তেকাল করেছেন। তাহলে তার খেলাফতকালে তার অবিবাহিত বোন আসবে কোথার থেকে? দ্বিতীয়ত, তার বোনোর বাচ্চা হবে অথচ তিনি জানবেন না—এটা কখনো হতে পারে? এটা কি বানোয়াট মাহদি যে, চার বছর পর্যন্ত নিজেকে ঘরের মধ্যে লুকিয়ে রাখবে, অথচ একই ঘরে অবস্থানকারী তার চাচা অবধি জানবেন না?
মুতা প্রমাণে কুরআনের আয়াতের অপব্যাখ্যা
মুতার পক্ষে শিয়াদের প্রধান দলিল হলো সূরা নিসার ২৪ নম্বর আয়াতের একটি অংশ: “فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً” তারা এ আয়াতের অনুবাদ করে: যখন তোমরা কোনো নারীকে মুতার মাধ্যমে ভোগ করো, তখন তার পারিশ্রমিক দিয়ে দাও। তারা “استمتعتم” শব্দকে মুতা বিবাহ এবং “أجورهن” শব্দকে পারিশ্রমিক অর্থে গ্রহণ করে থাকে। অথচ তাদের এই অর্থ ও ব্যাখ্যা আয়াতের পূর্ববর্তী অংশ থেকেই বাতিল হয়ে যায়। আল্লাহ তায়ালা বলেন: “وَأُحِلَّ لَكُم مَّا وَرَاءَ ذَٰلِكُمْ أَن تَبْتَغُوا بِأَمْوَالِكُم مُّحْصِنِينَ غَيْرَ مُسَافِحِينَ” আগের আয়াতে মাহরাম তথা যেসব নারীদের বিবাহ করা যাবে না, তাদের কথা উল্লেখ করে আল্লাহ তায়ালা বলেন: তাদের ছাড়া অন্যসকল নারীকে তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে এ শর্তে যে, তোমরা তাদের স্বীয় অর্থের বিনিময় তলব করবে বিবাহের জন্য غَيْرَ مُسَافِحِينَ কেবল কামচরিতার্থ তথা ব্যাভিচারের জন্য নয়। এরপর আল্লাহ তায়ালা বলেন: فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً সুতরাং বিবাহ সুত্রে যেসব নারীদের তোমরা সম্ভোগ করলে, তাদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দিবে। এখানে ফারিজা অর্থ মোহর, পারিশ্রমিক নয়।
সারকথা, তাদের সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে সম্ভোগ করো, তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করো। এমন নয় যে, তাদের পছন্দ হবে আর কামচরিতার্থ করবে। বিষয়টি যদি এমনই হতো, তাহলে ইসলামে নারী অধিকার থাকল কোথায়? আর ইয়াহুদি, খ্রিস্টান ও মুশরিকদের সঙ্গে এ দ্বীনের পার্থক্য রইল কোথায়?
মুতা; অসভ্যতার এক চূড়ান্ত উপখ্যান
আসলেই যে মুতা নারী অধিকার খর্বকারী একটি অভিশপ্ত প্রথা, পশু জীন্দিগীর নমুনা, অসভ্যতা ও নির্লজ্জতার চূড়ান্ত উপাখ্যান; তা বুঝানোর জন্য কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ করছি।
ঘটনা—১
রুহুল্লাহ খোমিনি যখন ইরাকে নির্বাসিত জীবনযাপন করছিলেন, তখন মুসল থেকে পশ্চিম দিকে দেড়ঘন্টার দুরুত্বে অবস্থিত এক শহরে তার দাওয়াত ছিল। ফেরার পথে ইরান বংশদ্ভূত তার এক বন্ধুর বাড়ি বিশ্রামের জন্য এলেন। যিনি সেখানে সাইয়্যেদ সাহেব নামে পরিচিত ছিলেন। রাতের খাবারের পর বিছানায় যাওয়ার মুহূর্তে সাইয়্যেদ সাহেবের ৪/৫ বছরের ফুটফুটে সুন্দর মেয়ের দিকে তার দৃষ্টি পড়ল এবং তার বাবার কাছে মুতার অনুমতি চেয়ে বসল। তিনিও খুশি মনে অনুমতি দিলেন। সারারাত সে ঘর থেকে বাচ্চামেয়ের চিৎকারের আওয়াজ আসল। কিন্তু কেউ সেদিকে ভ্রুক্ষেপ পর্যন্ত করল না। সকালে নাস্তার টেবিলে তার সফরসঙ্গী সায়্যেদ হুসাইন মুসাবি ছোট মেয়ের সঙ্গে মুতা বিবাহের বিধান জানতে চেলে বাবাও বৈধতার ফতোয়া দিয়েছিলে। অথচ মেয়েটি…!
ঘটনা—২
ইমাম আবুল কাসেম খোয়ি (১৮৯৯-১৯৯২) একবার তার অফিসে বসা ছিলেন। হঠাৎ সেখানে দুজন যুবক আসলো। যাদের একজন শিয়া ও অপরজন সুন্নি। শিয়া যুবক জিজ্ঞেস করল, ইমাম সাহেব! মুতা ইসলামে হালাল না হারাম? ইমাম সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথায় থাকো? সে বললো: আমি মুসলের অধিবাসী, তবে দু মাস অবধি নাজফে আছি। ইমাম সাহেব বললেন: মনে হচ্ছে তুমি সুন্নি হয়ে গেছো! যুবকটি বলে বসল: আমি তো আপাতত বাড়ি থেকে দূরে আছি, কাছে পরিবারও নেই। তাই মুতা করতে চাই। আপনার মেয়েকে যদি দিতেন! ইমাম সাহেব সঙ্গে সঙ্গে চুপ হয়ে গেলেন এবং কিছু একটা ভেবে বলে উঠলেন: আমি তো সাইয়্যেদ। কুলিন বংশের। আর মুতা কুলিন বংশের মেয়েদের সঙ্গে হারাম। এ বিধান কেবল সাধারণ শিয়াদের জন্য। এ কথা শুনতেই যুবকদ্বয় মুখ কালো করে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো—যখন শিয়া যুবক ইমামের ওপর গালির বৃষ্টি বর্ষণ করছিল আর কসম করে বলছিল যে, সে সুন্নি হয়ে যাবে। (কাশফুল আসরার—লি—হুসাইন আল মুসাওয়ি—৪২)
ঘটনা—৩
এই ঘটনাটি আরো নাযুক। আরো নিম্মতর। সমস্ত সভ্যতা এখানে এসে মাথা লুকায়, কলমগুলো বন্ধ হয়ে যায়।
একবার সাইয়্যেদ হুসাইন মুসাওয়ির কাছে এক মহিলা এসে বলল: সাইয়্যেদ হুসাইন সদর নামক এক আভিজাত বংশের প্রসিদ্ধ ব্যক্তি আমার সঙ্গে মুতা করত। ঘটনাক্রমে তার বীর্য থেকে বিশ বছর পূর্বে আমি গর্ভবতী হই। যার থেকে একটা মেয়ে জন্মগ্রহণ করে। কিছুদিন আগে মেয়েকে বিবাহ দিতে চাইলে শুনলাম সে গর্ভবতী। আমার মাথায় যেন আসমান ভেঙে পড়ল। জিজ্ঞেস করলাম, তোর এ সর্বনাশ কে করেছে? মেয়েটি ওই সাইয়্যেদ সাহেবের নাম নিলো, যার শুক্রানুতে ও জন্ম গ্রহণ করেছিল। সে জানতো, তবুও কীভাবে আমার এ মেয়ের সঙ্গে মুতা করলো! (কাশফুল আসরার—লি—হুসাইন আল মুসাওয়ি—৪৮)
কত জঘন্য এ মতবাদ! কতটা নিকৃষ্ট এ মতবাদ ধারণকারীদের মানসিকতা! যাদের পূর্বসূরিরা কেবল নারীদের অবৈধ ভোগ করার জন্য মিথ্যা ফযিলত সম্বোলিত শত শত হাদিস বানিয়েছে। আর যুগ যুগ ধরে তাদের অনুসারিরা অবৈধ লালসা থেকে সে মতবাদ জিইয়ে রেখেছে। অথচ এ থেকে যে নারী অধিকার খর্ব হচ্ছে, তাদের অমুসলিমদের মতো কেবল ভোগ্যপণ্য মনে করা হচ্ছে, সে বিষয়টি আর কেউ চিন্তা করছে না। এমনকি তার ফযিলত সাব্যস্ত করতে গিয়ে রাসুল ও তাদের ইমামদের যে সম্মানহানী হচ্ছে, তা ভাবার ফুরসৎ কেউ পাচ্ছে না। পেলেও সে পথ মারাচ্ছে না। ভোগবাদি নফসের অবৈধ চাহিদা পূরণের রাস্তা বন্ধ হবে যে!


Leave a comment